Blogs

অনলাইন বিজনেস – কী বিজনেস করবেন?

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে অনলাইন বিজনেস এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। অনলাইনে নানা ধরণের পন্য বিক্রি এখন বেশ লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। নতুন পুরাতন অনেক ব্যবসায়ীই এখন অনলাইনে পন্য বা সেবা বিক্রয় করাকেই তাদের ব্যবসার পথ হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। দেশের যুব সমাজের একটা অংশ আত্মকর্মসংস্থানের পথ খুজে নিচ্ছে অনলাইন বিজনেস করার মাধ্যমে।

আপনি যদি অনলাইন বিজনে করে সাবলম্বি হতে চান, তাহলে আপনার সামনে খোলা আছে অনেক পথ। আপনি কোন পথটি বেছে নিবেন, সেটা নির্ভর করছে আপনার ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য, ব্যবসার প্রকৃতি, ব্যবসার আকারসহ এই রকম আরও অনেক কিছুর উপরে। আসুন আজ দেখে নেই অনলাইনে বিজনেস করে সাবলম্বি হওয়ার জন্য প্রধান ক্ষেত্রগুলো কি কি?

অনলাইন বিজনেস এর সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলো কি কি?
অনলাইন বিজনেস করার অনেকগুলো ক্ষেত্র আছে। তারমধ্যে যে ক্ষেত্রগুলোতে বেশি লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে, তাই নিয়ে আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন। আসুন, এক নজরে ক্ষেত্রগুলো দেখে নেইঃ

১. টি-শার্ট ডিজাইন এবং বিক্রয়

২. অনলাইন বুক স্টোর

৩. মেয়েদের ড্রেস, জুতো এবং এক্সেসরিজ

৪. ছেলেদের ড্রেস, জুতো এবং এক্সেসরিজ

৫. সফটওয়্যার বিক্রয়

৬. গিফট আইটেম ও শো-পিস বিক্রয়

৭. কন্টেন্ট বিক্রয়

৮. ইলেকট্রনিক আইটেম

৯. ইমপোর্ট করা পন্যের বিজনেস

১০. ফার্মেসী ও মেডিকেল প্রোডাক্ট

১১. খেলাধূলার সরঞ্জামঃ

১২. মাছ, মাংস কিংবা দৈনন্দিন বাজার ডেলেভারি সার্ভিসঃ

১৩. অ্যাফিলিয়েট সাইট

১৪. ফুল ফিচারড ইকমার্স সাইট

১. টি-শার্ট ডিজাইন এবং বিক্রয়
গরম প্রধান দেশ হওয়ার কারনে আমাদের দেশে সারা বছরই টি-শার্ট এর চাহিদা রয়েছে। আমাদের অনেকের মধ্যেই দারুন ডিজাইন প্রতিভা থাকে। কিন্তু সুযোগের অভাবে অনেক ক্ষেত্রেই সে প্রতিভা কাজে লাগানো সম্ভব হয় না। কিন্তু আপনি চাইলে টি-শার্ট ডিজাইন এবং অনলাইনে তা সেল করার মাধ্যমে একই সাথে আপনার প্রতিভার সাক্ষর রাখতে পারবেন, অন্যদিকে টি-শার্ট এর অনলাইন বিজনেস করে স্বাবলম্বী হতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট সোর্সিং করাটা খুব একটা কঠিন কিছু না। বঙ্গ বাজার, ইসলামপুর কিংবা নরসিংদী-নারায়নগঞ্জ এর দিকের অনেক মার্কেট থেকে স্বল্প মুল্যে পাইকারি দরে ভালো মানের বিভিন্ন সাইজের টি-শার্ট কিনে আনা যায়। টি শার্ট প্রিন্টের মেশিনের দামও খুব বেশি নয়। নিজে মেশিন কেনার মত টাকা না থাকলে অন্য ফ্যাক্টরির মেশিন ধার করে কাজ চালিয়ে নেওয়া যাবে। যদি আপনি নিজে ভালো ডিজাইন করতে না পারেন, তাহলে ভালো ডিজাইন জানে এমন একজন বন্ধুকে পার্টনার হিসেবে নিন। বর্তমানে অনেকেই এই বিজনেস করে ভালো অবস্থানে রয়েছেন।

২. অনলাইন বুক স্টোর
যুগের চাহিদার সাথে মিল রেখে এখন অনলাইনে তৈরি হচ্ছে বুক শপ। মানুষের ব্যস্ততা বাড়ছে দিনে দিনে, এখন আর তাই লাইব্রেরিতে গিয়ে বই বেছে বেছে কেনার মত সময় কারো নেই। অনলাইনে বই কেনার চাহিদা রয়েছে বলেই রকমারি কিংবা সর্বনাম বুকশপের মত বড় বড় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে সফলতার সাথে বিজনেস করছে। প্রতি বছর অনেক টাকার বই বিক্রয় করে থাকে তারা। আপনার যদি বইয়ের প্রতি ভালোবাসা থাকে, তাহলে খুব সহজেই একটি অনলাইন বুক শপ খুলে বিজনেস শুরু করে দিতে পারেন। সবচেয়ে বড় সুবিধা হোল – একদম কম খরচে একটি অনলাইন বুকশপ তৈরি করা যায়। আপনাকে কোন প্রকার বই কিনে স্টক করতে হবে না। প্রকাশনিগুলোর সাথে যোগাযোগ করে আপনি তাদের বইয়ের ছবি ও মুল্য তালিকা নিয়ে ওয়েবসাইটে আপলোড করে দিতে পারবেন। কেউ অর্ডার করলে তার কাছ থেকে বইয়ের প্রাইস এবং কুরিয়ার চার্জ বাবদ অগ্রিম টাকা রাখতে হবে। পরবর্তীতে, বইটা প্রকাশনি থেকে কিনে নিয়ে আপনি কুরিয়ার করে অর্ডারকারির ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে পারবেন।

৩. মেয়েদের ড্রেস, জুতো এবং এক্সেসরিজ
অনলাইনে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা কেনাকাটা করতে বেশি আগ্রহী থাকে। ফলে অনলাইনে যে সমস্ত পন্য বেশি বিক্রি হয় তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে নারীদের পোশাক, জুতো ও অন্য প্রয়োজনীয় জিনিস। যেহেতু চাহিদা বেশি, তাই নারীদের পোশাক ও ব্যবহার্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে অনলাইন বিজনেস করলে আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। সাধারণত মেয়েদের পোশাকের অনলাইন শপগুলো মালিক মেয়েরাই। এদের অনেকে নিজের ব্র্যান্ড তৈরি করে জিনিসপত্র বিক্রি করে থাকেন, আবার অনেকে অন্য ব্র্যান্ডের পন্য স্বল্প মুল্যে সরবরাহ করে থাকেন। বাংলাদেশে অনেক নারী ইতিমধ্যে এ ধরণের ব্যবসা অনলাইনে করছেন। আপনিও এগিয়ে আসতে পারেন।

৪. ছেলেদের ড্রেস, জুতো এবং এক্সেসরিজ
মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের পন্যের চাহিদা একটু কম। ছেলেরা পোশাক পরিচ্ছেদের তুলনায় অনলাইনে ঘড়ি, বেল্ট, ক্যাপ ও অন্যান্য এক্সেসরিজ কেনা কাটা বেশি করে। এই জন্য প্রোডাক্ট সোরসিং অনেক গুরুত্ব বহন করে। আপনি যদি স্বল্প মুল্যে ভালো মানের পন্য বিক্রয় করেন, তাহলে এই লাইনে সফল হওয়া আপনার জন্য অনেক বেশি সহজ হবে। তাই আপনাকে কোন ভালো রিসেলার বা হোলসেলারের সাথে কন্টাক্ট করতে হবে। যদি সেটা সম্ভব হয়, তাহলে শুধুমাত্র অনলাইনে পুরুষদের যাবতীয় পোশাক এবং ব্যবহার্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে অনলাইনে আপনার প্রতিষ্ঠানও বিক্রি শুরু করতে পারে।

৫. সফটওয়্যার বিক্রয় করার মাধ্যমে অনলাইনে বিজনেস:
নিত্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারের রিসেলার পেইড ভার্সন সফটওয়্যার বিক্রয় করার মাধ্যমে অনলাইন বিজনেস করতে পারেন। সফটওয়্যার সংগ্রহ করার পূর্বে নিশ্চিত হয়ে নিন সফটওয়্যারটির চাহিদা অনলাইনে রয়েছে। এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার থেকে শুরু করে ইমেল মার্কেটিং সফটও্যার, এস.ই.ও পাওয়ার সুইচ, অটো ক্যাপচা, ভিজিটর প্রভাইটার, পেইসবুক বোস্টার ইত্যাদি সফটওয়্যারের চাহিদা রয়েছে। অরো অনেক অনেক সফটওয়্যার রয়েছে যা একটু টেকনিক অবলম্বন করে সংগ্রহ ও বিক্রয় করতে পারেন। এজন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরি করে তাতে সফটওয়্যার বিক্রয় এর উদ্দেশ্যে সাজিয়ে রাখতে পারেন।

৬. গিফট আইটেম ও শো-পিস বিক্রয়
ঘর সাজাতে সুন্দর সুন্দর শোপিস অনেকে পছন্দ করে । তাই আপনার যদি সুন্দর প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে ইচ্ছে হয়, তবে আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনলাইনে মানুষের কাছে শোপিস বিক্রি করতে পারেন ।

৭. কন্টেন্ট বিক্রয়
বর্তমান যুগে তথ্য সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। যার কাছে যত বেশি তথ্য আছে, সে তত বেশি বিজনেস এক্সপান্ড করতে পারবে। ফলে অনেকেই একন তথ্য কেনা বেচার বিজনেস শুরু করেছে। ইমেল ডাটাবেইস, কোম্পানি ডাটাবেইস, মোবাইল নম্বর ডাটাবেইস ইত্যাদি সংগ্রহ ও বিক্রয় করার মাধ্যমে অনলাইনে বিজনেস করতে পারেন। আপনার সংগ্রহ করার তথ্য অন্য কোন কোম্পানী মার্কেটিং করার লক্ষ্যে আপনার কাছ থেকে কিনতে চাইবে।

৮. ইলেকট্রনিক আইটেম
অনলাইনে খুব বেশি বিক্রি হয় এমন একটি পন্যের ক্যাটাগরি হচ্ছে ইলেকট্রনিক আইটেম। ইলেকট্রনিক আইটেম এর অনলাইন বিজনেস এ সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। এখানে সবচেয়ে বড় সুবিধা হোল যে এই জাতীয় পন্যের সোরসিং করা অনেক সহজ। অনেক যায়গা থেকেই আপনি হোলসেইলে প্রোডাক্ট কিনে আনতে পারবেন। এবং অনলাইনে সেলের মাধ্যমে আপনার লাভও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু খেলায় রাখবেন যে প্রোডাক্ট এর মান যেন ভালো হয়। তাহলে যে কাস্টমার একবার প্রোডাক্ট কিনছেন, তিনি আপনার লয়াল কাস্টমারে পরিনত হবেন। এবং একাধিকবার আপনার পন্য ক্রয় করতে ইচ্ছুক হবেন।

৯. ইমপোর্ট পন্যের বিজনেস
বাংলাদেশের মানুষের মাঝে বিদেশি পন্যের চাহিদা বরাবরই বেশি। একটু বেশি দাম পড়লেও আমরা বিদেশি পন্য কিনতে পছন্দ করি। আপনি চাইলে একটি ইকমার্স সাইট ক্রিয়েট করতে পারেন যেখানে শুধু মাত্র বিদেশি পন্য বিক্রয় হবে। বাইরে থেকে পন্য আনানো একটু মুশকিল। কোন ইম্পোর্ট কোম্পানির সাথে যদি চুক্তি করতে পারেন তাহলে খুব ভালো হয়। এই ধরণের একটা ইকমার্স সাইট করতে পারলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা ১০০ ভাগ। এই রকম একটি ইম্পোর্ট বেইজড কোম্পানির খবর দিতে পারি আপনাকে – টপ অল ব্র্যান্ড। এদের মাধ্যমে আপনি অ্যামাজন, আলিএক্সপ্রেস, ইবে কিংবা ভারতীয় ফ্লিপ কার্ট, স্ন্যাপ ডিল সহ দেশের বাইরের যেকোনো স্থান থেকে বাংলাদেশে প্রোডাক্ট আনিয়ে নিতে পারবেন। এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানুনঃ Order Foreign Products From Bangladesh

১০. ফার্মেসী ও মেডিকেল প্রোডাক্টঃ
জরুরি ঔষধ সরবরাহকারি অনেক প্রতিষ্ঠান এখন অনলাইনে বিজনেস করছে। ঔষধ বা চিকিৎসা সামগ্রীর প্রয়োজন হলে এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে ঢুকে অর্ডার করে দিতে তারা বাড়িতে ঔষধ পৌঁছে দিয়ে থাকে। প্রতিদিন মানুষের বিভিন্নরকম ওষুধের প্রয়োজন পরে, বেশকিছু ওষুধ থাকে যা সহজে পাওয়া যায়না এবং বিভিন্ন ধরণের মেডিকেল চেকআপ এর জন্যে দৈনন্দিন জীবনে অনেক মেডিকেল প্রোডাক্ট এর প্রয়োজন পরে। এসব প্রোডাক্ট নিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আপনিও ক্রেতার অর্ডার নেয়ার জন্যে আপনার ই-কমার্স সাইটটি তৈরি করতে পারেন।

১১. খেলাধূলার সরঞ্জামঃ
বাংলাদেশে খেলাধুলার সরঞ্জাম এর চাহিদা ব্যপক। এদেশের অধিকাংশ মানুষ ক্রীড়াপ্রেমি। অল্প বয়সি ছেলেদের একটা বড় অংশের ঝোঁক থাকে ক্রিকেট কিংবা ফুটবল খেলোয়াড় হওয়ার জন্য। তাই প্রতি বছর প্রচুর পরিমানে ক্রীড়াসামগ্রী বিক্রি হয়। ঢাকার ভেতরে খেলাধুলার সরঞ্জাম সহজলভ্য হলেও, ঢাকার বাইরে যৎসামান্য সামগ্রী যায়। অথচ সারা দেশেই এসব বস্তুর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তাই আপনি চাইলে খুব সহজে একটা ইকমার্স ওয়েবসাইট তৈরির মাধ্যমে সারাদেশে খেলাধুলার সরঞ্জাম সরবরাহ করতে পারবেন। খেলাধূলার বিভিন্ন প্রোডাক্ট নিয়ে অনলাইন সাইট হলে যারা এই বিষয়ক প্রোডাক্ট কিনতে চায়, কিংবা অনেকে অনেক বিদেশী খেলাধূলার প্রোডাক্ট যা সহজে দেশে পাওয়া যায়না, তাদের জন্যে চমৎকার অনলাইন কেনাকাটার সাইট হতে পারে।

১২. মাছ, মাংস কিংবা দৈনন্দিন বাজার ডেলেভারি সার্ভিসঃ
আপনি হয়ত অনেক ব্যস্ত, তাই হয়ত মাছ বা মাংস কিনতে বাজারে যেতে পারছেন না, কিন্তু এমন যদি কোন অনলাইন শপ থাকে যারা শুধু বিভিন্ন ধরণের মাছ – মাংস আপনার অর্ডার অনুযায়ী ডেলেভারি করে দিবে, তাহলে কেমন হয় ? যদি কোন প্রতিষ্ঠান মনে করে তাদের পক্ষে এইরকম সার্ভিস দেয়া সম্ভব, তবে তারা সুন্দরভাবে চেষ্টা করলে দারুণ একটা উদ্যোগ হবে। ইতিমধ্যে চালডাল ডট কম ও হাটবাজার ডট কম বাংলাদেশে এই বিজনেস শুরু করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে এই বিজনেস এর আওতা ব্যপক। আপনি চাইলে একাধিক বন্ধুর সাহায্যে এই বিজনেসে নেমে পড়তে পারেন।

১৩. অ্যাফিলিয়েট সাইট
অনালাইলে অ্যাফিলিয়েট ইকমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করেও অনেকে ভালো উপার্জন করতে পারছেন। এই পদ্ধতিতে ইকমার্স সাইট করার মূল সুবিধা হচ্ছে – আপনাকে খুব বেশি ইনভেস্ট করতে হবে না। আপনি অন্যের পন্য আপনার সাইটে দেখাবেন। কেউ সেই পন্য কিনতে আগ্রহী হলে তাকে মূল বিক্রেতার সাথে পরিচয় করিয়ে দিবেন, বা তার হয়ে পন্যটি মূল বিক্রেতার কাছ থেকে কিনে নেবেন। এতে করে আপনি প্রত্যেক বিক্রয় থেকে কমিশন পাবেন। অ্যাফিলিয়েট সাইট দুই ধরণের হতে পারে। এক, লোকাল অ্যাফিলিয়েট সাইট, দুই, অ্যামাজন বা আলি এক্সপ্রেস আফিলিয়েট সাইট।

১৪. ফুল ফিচারড ইকমার্স সাইট
ফুল ফিচারড ইকমার্স সাইট বলতে আমরা বুঝি এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রায় সব ধরণের পন্য পাওয়া যায়। ছেলেদের ও মেয়েদের পোশাক পরিচ্ছদ থেকে শুরু করে বই, ইলেকট্রনিক আইটেম, গিফট, ফার্নিচার সহ সবই যে সাইটে পাওয়া যাবে, তাকে আমরা ফুল ফিচারড ইকমার্স সাইট বলে থাকি। তবে এই ধরণের সাইট করার জন্য প্রচুর পরিমানে মূলধন নিয়ে নামতে হবে এবং অনেক সময় ব্যয় করতে হবে। একটি ছোট অফিস এবং কিছু কর্মচারী রাখার প্রয়োজন হবে। যারা পড়ালেখা শেষে চাকরিতে না গিয়ে ক্ষুদ্র বা মাঝারি বিজনেস করে স্বাবলম্বী হতে চান, তাদের জন্য এই ধরণের সাইট বেশ কার্যকরি। তবে একটি ফুল ফিচার্ড ইকমার্স সাইট করা খুব একটা সহজ কাজ হবে না আপনার জন্য। এই জন্য এক্সপার্ট এর হেল্প লাগবে। স্বল্প মুল্যে দারুন একটি ইকমার্স সাইট করার জন্য আপনি রেডমেরুন কোম্পানির সাহায্য নিতে পারেন। এ ব্যাপারে বিশদ জানতে পারবেন এখান থেকেঃ eCommerce website in Bangladesh

অনলাইন বিজনেস এর জন্য অনলাইন মার্কেটিং
আপনি একটি অনলাইন শপ খুলে বসে থাকলেই তো ক্রেতা পেয়ে যাবেন না। একটা ফিজিকাল শপ দিলে হয়ত কাস্টোমাররা নিজ পায়ে হেঁটে এসে পন্য কিনবে। কিন্তু অনলাইনে বিজনেস করার ক্ষেত্রে আপনি সেই সুবিধা পাচ্ছেন না। এখানে আপনাকে নিজে কাস্টমারের কাছে যেতে হবে এবং দেখাতে হবে আপনার কি আছে অফার করার মত। এই জন্য চাই প্রপার মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং এর সম্প্রসারন খুলে দিয়েছে এই ক্ষেত্রে সম্ভবনার দুয়ার। আপনি অনলাইনে বিভিন্ন আর্টিকেল পড়ে কিংবা ইউটিউবে ভিডিও দেখে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে নিতে পারেন। অথবা চাইলে কোন ভালো ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সির শরণাপন্ন হতে পারেন। এই ব্যাপারে আপনাকে সব রকম সহযোগিতা করতে পারে ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি – রোমান গ্রূপ । আপনি একটি ইকমার্স সাইট তৈরি ও প্রোমোশন থেকে শুরু করে ফেসবুকে পেইজ ক্রিয়েট করে পেইড বুস্ট দেওয়া, এড দেওয়া সহ যাবতীয় কাজ করতে পারেন রেডমেরুন এর সাহায্য নিয়ে।

শেষ করার আগে কিছু কথা
আমরা অনলাইন বিজনেস করে আয়ের বেশ কিছু উপায়ের কথা বললাম। কিন্তু এই ছাড়া আরও অনেক উপায়ে অনলাইনে বিজনেস করার সুযোগ রয়েছে। আপনি যদি অনালাইনে আয় করে স্বাবলম্বী হতে ইচ্ছুক হউন, তাহলে এর যেকোনো একটি উপায় বেছে নিতে পারেন। লেখাপড়া শেষে চাকরীর পেছনে না ছুটে চেষ্টা করুন নিজের ভাগ্যকে নিজ হাতে গড়ার জন্য। চাকরি করে কত টাকা বেতন পাবেন? আমি এটা নিশ্চিন্তে বলতে পারি যে সততা ও একনিষ্ঠতার সাথে যদি অনলাইন বিজনেস করেন তাহলে খুব তাড়াতাড়ি নিজের একটা ফ্ল্যাট বা গাড়ি কেনার ক্ষমতা হবে আপনার।

social position

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Allow all cookies to be stored for security reasons. Keep your credit card and debit card's security 100% secure. Dismiss